দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া নয়জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার। এর আগে মঙ্গলবার দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের অভিযানে ১৬৩ জনকে আটক করা হয়।
থানাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বাকি ২৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানায় তিনজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৭ জন, সেনবাগ থানায় নয়জন, চরজব্বর থানায় সাতজন, সোনাইমুড়ী থানায় পাঁচজন এবং কবিরহাট থানায় পাঁচজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া হাতিয়া থানায় ৬৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার এবং পাঁচজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এমএস/